খোলা চিঠি {18/10/2013}
বিসমিল্লা হির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসাল্লী আলা রাসূলিহিল কারীম
বন্ধুগণ,
সমস্ত প্রশংসা সেই মহান বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহ পাকের জন্য তাহার অপরিসীম অনুগ্রহে আমাদিগকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসাবে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং হজরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উম্মতের অন্তরভুক্ত করিয়া দ্বীনের খেদমত করার তৌফিক দিয়াছেন।
আলহামদুলিল্লা,
আল্লাহ পকের অফুরন্ত রহমতের দিকে তাকিয়ে আশা রাখি তিনি আপনাদের খায়ের ও আফিয়াতের সহিত ভালেই রেখেছেন। আমি আলহামদুলিল্লা ভাল।
বন্ধুগণ,
নির্জনে একটু চিন্তা করিলেই বুঝে আসিবে, আমরা কত বড় ধোকার মাঝে আছি। যাহা অতি সত্বর ধ্বংস হইয়া যাইবে,আমার তাহার উপরেই সন্তষ্ট থাকি আর যেই জিনিষ আমাদের কাজে আসিবে তাহার উপরে একেবারেই গাফেল।
দুনিয়ার ঐ সব ধনী ভ্যক্তিগণ আজ কোথায় যাহারা এই দুনিয়ার মালিক ছিল। কোথায় তাদের সঞ্চিত ধন সম্পদ ও খাদেম নওকরের দর যাহারা শুধু জী হুজুর জী হুজরি করিতো। অল্পদিন থাকিয়াই সর্বস্ব ছড়িয়া চলিয়া গিয়াছে তাহাদের আপন সুঠাম স্বাস্থের উপর ধোকা খাইয়া গোনাহে লিপ্ত হইত।
হায় আফসোছ,এখন তাদের কবরে কেউ কোন খানাও পৌচায় না। তাদের কবরে কোন বিছানার ব্যবস্থা নাই। খালি জমিনেই রাখিয়া দিয়াছে, হায়,এখন তাহারা একেবারেই একা পরিয়া আছে অন্ধকারে। তাদের জন্য রাত দিন সবই সমান। বন্ধুদের সহিত মিরিতে পারে না, কাহাকে নিজের কাছে ডাকিতে ও পারেনা। তাদের অঙ্গ-প্রতঙ্গ একে অপর হইতে ছিন্ন, চক্ষ বাহির হইয়া মুখের উপর পড়িয়া গিয়াছে। ঘাড় আলাদা হইয়া গিয়াছে,মুখ পানি পূজে ভর্তি হইয়া গিয়াছেে আর তাদের ওয়ারিশগণ বাড়ী-ঘর দখল করিয়া নিয়াছে। সম্পদ বন্টন করিয়া নিয়াছে।
কবর প্রতিনিয়োত এই বলিয়া আওয়াজ দিতেছে যে, আমি তাদের কাফন ফাড়িয়া দেই শরীরকে টুকরা টুকরা করিয়া ফেলি। রক্ত চুষিয়া লই,গোষ্ত খাইয়া ফেলি,কাধ হইতে বাহু যুগলকে আলাদা করিয়া দেই,বাহুকে কবজ হইতে ছিন্ন-ভিন্ন করিয়া ফেলি।
বন্ধুগণ,
দুনিয়া খবই ক্ষন স্থায়ী অথচ উহার ধোকা অনেক বেশি।মৃত্যু আমাদের একেবারেই নিকটবর্তী আর তাই আল্লাহপক যাহা হইতে আমাদের বিরত রাখে উহাই মঙ্গল। সকলকেই করবে যাইতে হইবে। তখন শুধু ঐ জিনিষের জন্য লজ্জা হইবে যাহা এখানে ছাড়িয়া গিয়াছি। আর ঐ জিনিষের জন্য খুশি হইবে যাহা সেখানে পাঠাইয়া দিয়াছি। আর তাই দুনিয়া নিয়ে চিন্তা ফিকির করা চরম নোংরামী ছাড়া আর কিছুই নয়। আল্লাহপাক যাকে আপন মহব্বতের বিন্দু মাত্র স্বাদ পান করাইয়াছেন কি করিয়া তাহার অন্তর দুনিয়া অন্বেষন করিতে পারে।
বন্ধুরা তোমরাই বল” আমি যাহা করিতেছি তার মুল কথা হচ্ছে আল্লাহ যেন আমার প্রতি সন্তুষ্ট ও রাজী থাকেন।
আমার জন্য দোয়া করবেন যে, আমি শেষ নবীর উম্মত বলে কাল ক্বেয়ামতে নিজেকে পরিচয় দিতে পারি। পরিশেষে ছালাম জানিয়ে বিদায় নিলাম।
বিসমিল্লা হির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসাল্লী আলা রাসূলিহিল কারীম
বন্ধুগণ,
সমস্ত প্রশংসা সেই মহান বিশ্বস্রষ্টা আল্লাহ পাকের জন্য তাহার অপরিসীম অনুগ্রহে আমাদিগকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসাবে সৃষ্টি করিয়াছেন এবং হজরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উম্মতের অন্তরভুক্ত করিয়া দ্বীনের খেদমত করার তৌফিক দিয়াছেন।
আলহামদুলিল্লা,
আল্লাহ পকের অফুরন্ত রহমতের দিকে তাকিয়ে আশা রাখি তিনি আপনাদের খায়ের ও আফিয়াতের সহিত ভালেই রেখেছেন। আমি আলহামদুলিল্লা ভাল।
বন্ধুগণ,
নির্জনে একটু চিন্তা করিলেই বুঝে আসিবে, আমরা কত বড় ধোকার মাঝে আছি। যাহা অতি সত্বর ধ্বংস হইয়া যাইবে,আমার তাহার উপরেই সন্তষ্ট থাকি আর যেই জিনিষ আমাদের কাজে আসিবে তাহার উপরে একেবারেই গাফেল।
দুনিয়ার ঐ সব ধনী ভ্যক্তিগণ আজ কোথায় যাহারা এই দুনিয়ার মালিক ছিল। কোথায় তাদের সঞ্চিত ধন সম্পদ ও খাদেম নওকরের দর যাহারা শুধু জী হুজুর জী হুজরি করিতো। অল্পদিন থাকিয়াই সর্বস্ব ছড়িয়া চলিয়া গিয়াছে তাহাদের আপন সুঠাম স্বাস্থের উপর ধোকা খাইয়া গোনাহে লিপ্ত হইত।
হায় আফসোছ,এখন তাদের কবরে কেউ কোন খানাও পৌচায় না। তাদের কবরে কোন বিছানার ব্যবস্থা নাই। খালি জমিনেই রাখিয়া দিয়াছে, হায়,এখন তাহারা একেবারেই একা পরিয়া আছে অন্ধকারে। তাদের জন্য রাত দিন সবই সমান। বন্ধুদের সহিত মিরিতে পারে না, কাহাকে নিজের কাছে ডাকিতে ও পারেনা। তাদের অঙ্গ-প্রতঙ্গ একে অপর হইতে ছিন্ন, চক্ষ বাহির হইয়া মুখের উপর পড়িয়া গিয়াছে। ঘাড় আলাদা হইয়া গিয়াছে,মুখ পানি পূজে ভর্তি হইয়া গিয়াছেে আর তাদের ওয়ারিশগণ বাড়ী-ঘর দখল করিয়া নিয়াছে। সম্পদ বন্টন করিয়া নিয়াছে।
কবর প্রতিনিয়োত এই বলিয়া আওয়াজ দিতেছে যে, আমি তাদের কাফন ফাড়িয়া দেই শরীরকে টুকরা টুকরা করিয়া ফেলি। রক্ত চুষিয়া লই,গোষ্ত খাইয়া ফেলি,কাধ হইতে বাহু যুগলকে আলাদা করিয়া দেই,বাহুকে কবজ হইতে ছিন্ন-ভিন্ন করিয়া ফেলি।
বন্ধুগণ,
দুনিয়া খবই ক্ষন স্থায়ী অথচ উহার ধোকা অনেক বেশি।মৃত্যু আমাদের একেবারেই নিকটবর্তী আর তাই আল্লাহপক যাহা হইতে আমাদের বিরত রাখে উহাই মঙ্গল। সকলকেই করবে যাইতে হইবে। তখন শুধু ঐ জিনিষের জন্য লজ্জা হইবে যাহা এখানে ছাড়িয়া গিয়াছি। আর ঐ জিনিষের জন্য খুশি হইবে যাহা সেখানে পাঠাইয়া দিয়াছি। আর তাই দুনিয়া নিয়ে চিন্তা ফিকির করা চরম নোংরামী ছাড়া আর কিছুই নয়। আল্লাহপাক যাকে আপন মহব্বতের বিন্দু মাত্র স্বাদ পান করাইয়াছেন কি করিয়া তাহার অন্তর দুনিয়া অন্বেষন করিতে পারে।
বন্ধুরা তোমরাই বল” আমি যাহা করিতেছি তার মুল কথা হচ্ছে আল্লাহ যেন আমার প্রতি সন্তুষ্ট ও রাজী থাকেন।
আমার জন্য দোয়া করবেন যে, আমি শেষ নবীর উম্মত বলে কাল ক্বেয়ামতে নিজেকে পরিচয় দিতে পারি। পরিশেষে ছালাম জানিয়ে বিদায় নিলাম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন